আওয়ামী লীগ কীভাবে এ দিবসটি পালন

আওয়ামী লীগ কীভাবে এ দিবসটি পালন , করছে তার কোনো ইঙ্গিত গত মঙ্গলবার পর্যন্ত পত্রিকায় দেখা যায়নি। তবে গত বছর

দিনটিকে তারা গণতন্ত্রের বিজয় দিবস হিসেবে পালন করে। তাদের যা করার কথা। 30 ডিসেম্বর, 2016 নির্বাচন নিয়ে দেশে-বিদেশে যা

কিছু বলা বা বিতর্ক হচ্ছে তা উপেক্ষা করতে আওয়ামী লীগের খুব একটা সমস্যা হয়নি। প্রধান বিরোধী দল আওয়ামী লীগের ছয়জন,

বিএনপির ছয়জন এবং তাদের নির্বাচনী জোটের আরও দুইজন, গণফোরামের দুই সংসদ সদস্য শপথ নিয়ে গণতন্ত্র রক্ষা করেছেন, এটা

নিশ্চয়ই উৎসবের বিষয়!সংসদে বিএনপির এই সংসদ সদস্যদের যোগদান অনেকটা মহাজোটের শরীক ওয়ার্কার্স পার্টির মতো, যেখানে

তারা নিজেরাই বলেছেন জনগণ ভোট দিতে পারেনি, অদৃশ্য আশীর্বাদে তাদের নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে। মহাজোটের শরিকরা ভিন্ন

ভিন্ন। কারণ, তারা কোনো না কোনোভাবে ক্ষমতার বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার কমবেশি ভাগীদার। কিন্তু সেই তুলনায় বিএনপির সংসদ

আওয়ামী লীগ কীভাবে এ দিবসটি পালন

সদস্যদের কারণে সুবিধাগুলো নগণ্য হলেও তারা তা হারাতে রাজি নয়। দলটির নেতা-কর্মীরা যে বিষয়টি ভালোভাবে নেননি তা বিভিন্ন ক্ষেত্রে বোঝা যায়। দলীয় কর্মসূচিতে তাদের জন্য কোনো আসন বরাদ্দ নেই। দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসা না দেওয়া হলে তারা পদত্যাগের হুমকি দিয়েছেন। তাদের পদত্যাগে গণতন্ত্রের কতটা ক্ষতি হবে তা তারাই বলতে পারবেন।গত দুই বছরে যারা একই ধরনের কর্মসূচি পালন করেছে তাদের জন্য আজকে ‘কালো দিবস’ ঘোষণা করেছে বাম জোট। তারা বলেন, ‘২০১৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর পুলিশ ও প্রশাসনকে ব্যবহার করে দিনভর রাতে ভোট গ্রহণ করে ক্ষমতাসীন দল অবৈধভাবে পুনঃনির্বাচন করে। . তবে খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে দেওয়ার দাবিতে তারা আরও কিছু কর্মসূচি পালন করছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানা গেছে, তাদের ভাষায় ‘ভোটের তৃতীয় শাহাদাত বার্ষিকী’ ​​উপলক্ষে বুধবার বিকেলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে দোয়া মাহফিলের

আয়োজন করেছে পিপলস অ্যাকশন

আয়োজন করেছে পিপলস অ্যাকশন কমিটি নামের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন।30 ডিসেম্বর, 2016 নির্বাচনের সাথে অবশ্যই আরও অনেক কিছু করার আছে। বিশেষ করে বর্তমান হুদা কমিশন এবং পুলিশ ও প্রশাসন। উল্লেখ্য, হুদা কমিশন তাদের কার্যালয়ে কেক উৎসবের আয়োজন করে। ভোটারদের ভোটে যেতে হয়নি, তবে ক্ষমতাসীন দলের প্রত্যাশার চেয়েও বড় জয়ের আনন্দ উদযাপন ছিল বলে অভিযোগ। প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা কমিশন ভবনের জলাশয়ে মাছ ধরছিলেন বলেও খবর পাওয়া গেছে। সমালোচকদের কথা না শুনেই নির্বাচন কমিশন ‘মতস্য ধরিব খাইবো সুখে’ নির্বাচন কমিশন কী করেছে তার বিস্তারিত তথ্য জনৈক নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদারের সাম্প্রতিক মন্তব্য থেকে জেনে রাখা ভালো। কমিশনের একটি কক্ষে থাকা মাহবুব তালুকদার বলেন, নির্বাচন এখন আইসিইউতে এবং এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় গণতন্ত্র এখন লাইফ সাপোর্টে।

আরো পড়ুন 

 

About admin

Leave a Reply

Your email address will not be published.