দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠন

দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠন , এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি ড. জসিম উদ্দিন বলেন, স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাদ

দিয়ে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হওয়ার পর স্থানীয় শিল্প রক্ষায় নতুন কৌশল গ্রহণ করতে হবে। তবে সে জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষ জনবল

নেই সরকারি সংস্থাগুলোর কাছে।জাতীয় অর্থনৈতিক নীতি ও পরিকল্পনা, অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা

(এসডিজি) এবং রূপকল্প ২০৪১ সংক্রান্ত এফবিসিসিআই-এর স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠকে এ কথা বলেন জসিম উদ্দিন। তিনি এলডিসি-

পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকারি সংস্থায় দক্ষ জনবল নিয়োগেরও আহ্বান জানান।রোববার সকালে মতিঝিলে এফবিসিসিআই

কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি একেএম শামসুদ্দোহা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআই

সিনিয়রসহ-সভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী, পরিচালক বিজয় কুমার কেজরিওয়াল, মোঃ নাসের, সৈয়দ আলমাস কবির প্রমুখ।

দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠন

এফবিসিসিআই থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, সরকার ঘোষিত বিভিন্ন অর্থনৈতিক লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের লক্ষ্যে বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তারা কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য বিভিন্ন শিল্পায়ন কার্যক্রম হাতে নিচ্ছে। এ ক্ষেত্রে দক্ষ জনবলের অভাব বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি আরও বলেন, পোশাক কারখানাগুলোতে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ দক্ষ জনবলের ঘাটতি রয়েছে। ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন পদে উদ্যোক্তাদের নির্ভর করতে হয় বিদেশিদের ওপর। দেশে উচ্চশিক্ষিত তরুণের অভাব না থাকলেও শিল্পে প্রয়োজনীয় দক্ষতার অভাব রয়েছে।এফবিসিসিআই সভাপতি অভিযোগ করেন, সরকারি সংস্থাগুলো কোনো আলোচনা ছাড়াই বিভিন্ন নীতিমালা তৈরি করে। নীতিগুলি বাস্তবায়িত করা কঠিন বা অসম্ভব হয়ে ওঠে কারণ সেগুলি মাটিতে বাস্তবতাকে প্রতিফলিত করে না। তিনি সরকারি সংস্থাগুলোকে নীতিমালা প্রণয়নের আগে বেসরকারি খাতের সঙ্গে পরামর্শ করার আহ্বান জানান।

কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচালক নাদিয়া

কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচালক নাদিয়া বিনতে আমিন বলেন, উন্নত দেশগুলোর অর্থনীতিতে এসএমই খাতের অবদান ৭০ শতাংশ পর্যন্ত। বাংলাদেশে এই হার মাত্র ৬০ শতাংশ। এসএমই খাতের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সরকারের নীতিগত সহযোগিতা আরও বাড়ানো দরকার।আলোচনায় বক্তারা দেশের শিল্পায়নের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের কথা তুলে ধরেন। তারা বলেন, দেশের শিল্পায়ন মূলত ঢাকা ও চট্টগ্রামে আটকে আছে। শিল্পের বিকেন্দ্রীকরণে সারাদেশে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে এ উদ্যোগকে সফল করতে হলে জনপদ গড়ে তুলতে হবে। তারা অর্থনৈতিক উন্নয়নের সঙ্গে বৈষম্য কমানো, শিক্ষার মান উন্নয়ন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শিল্প সংযোগ স্থাপন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের ওপর জাতীয় কৌশল প্রণয়ন, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে লিঙ্গ সমতা ও নারীর ক্ষমতায়ন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধির বিষয়ে কথা বলেন।

আরো পড়ুন

About admin

Check Also

সাধারণ সম্পাদক হওয়ার পর থেকে

সাধারণ সম্পাদক হওয়ার পর থেকে

সাধারণ সম্পাদক হওয়ার পর থেকে , আমার সঙ্গে অন্যায় আচরণ করা হয়েছে। অন্য একজনকে অবৈধভাবে …

Leave a Reply

Your email address will not be published.