বাংলাদেশ ফেডারেশন অব ইন্ডাস্ট্রিজ

বাংলাদেশ ফেডারেশন অব ইন্ডাস্ট্রিজ , অ্যান্ড মার্চেন্টস (এফবিসিসিআই) সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন বলেন, ই-কমার্সের সরবরাহ

ব্যবস্থায় অনেক সমস্যা রয়েছে। এ ব্যবস্থা চালু হলে ব্যবসার গতি বাড়বে। এছাড়া নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আরও বাড়াতে হবে।বৃহস্পতিবার

রাজধানীর মতিঝিলে এফবিসিসিআই কার্যালয়ে সংগঠনটির ই-কমার্স স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ কথা বলা হয়। জসিম উদ্দিন। বৈঠকে

সভাপতিত্ব করেন স্থায়ী কমিটির সভাপতি টিআইএম নুরুল কবির। বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআই পরিচালক মোহাম্মদ

আমজাদ হুসাইন, স্থায়ী কমিটির কো-চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল হক, মোঃ সাহাব উদ্দিন, মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল, জিয়া আশরাফ,

এম রাশিদুল হাসান প্রমুখ।এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, ই-কমার্স দেশের একটি প্রতিশ্রুতিশীল খাত। এ খাতের সংকট কাটিয়ে

টেকসই অবস্থানে যেতে হবে। আর টেকসই ই-কমার্স তৈরি করতে হলে খাতের উদ্যোক্তাদের প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত

বাংলাদেশ ফেডারেশন অব ইন্ডাস্ট্রিজ

করতে হবে।ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ই-ক্যাব) সভাপতি শমী কায়সার বলেন, ই-কমার্স খাত বিভিন্ন কারণে ভোক্তাদের আস্থার সংকটের সম্মুখীন হচ্ছে। তিনি বলেন, করোনার সময়ে দেশে ই-কমার্স সেবা বহুগুণ বেড়েছে। বহু মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। তবে বিচ্ছিন্ন কিছু ক্ষেত্রে ই-কমার্সের ভাবমূর্তি কলঙ্কিত হয়েছে।শমী কায়সার বলেন, ভোক্তাদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ বিভাগের তত্ত্বাবধানে শীঘ্রই একটি অভিযোগ ব্যবস্থাপনা সেল গঠন করা হবে। ই-কমার্স কোম্পানিগুলোকে ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন নম্বর দেওয়া হবে। এ ছাড়া সংকট উত্তরণ ও নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতে এক বছরের ভিশন তৈরি করবে এফবি সিসিআই।এফবিসিসিআই সিনিয়র সহ-সভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী ই-কমার্সে আস্থা ফিরিয়ে আনতে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের পরামর্শ দিয়েছেন।বৃহস্পতিবার রাজধানীর মতিঝিলে এফবিসিসিআই কার্যালয়ে সংগঠনটির ই-কমার্স স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ কথা বলা হয়। জসিম উদ্দিন। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন স্থায়ী কমিটির সভাপতি টিআইএম নুরুল কবির। বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন

এফবিসিসিআই পরিচালক মোহাম্মদ আমজাদ

এফবিসিসিআই পরিচালক মোহাম্মদ আমজাদ হুসাইন, স্থায়ী কমিটির কো-চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল হক, মোঃ সাহাব উদ্দিন, মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল, জিয়া আশরাফ, এম রাশিদুল হাসান প্রমুখ।এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, ই-কমার্স দেশের একটি প্রতিশ্রুতিশীল খাত। এ খাতের সংকট কাটিয়ে টেকসই অবস্থানে যেতে হবে। আর টেকসই ই-কমার্স তৈরি করতে হলে খাতের উদ্যোক্তাদের প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ই-ক্যাব) সভাপতি শমী কায়সার বলেন, ই-কমার্স খাত বিভিন্ন কারণে ভোক্তাদের আস্থার সংকটের সম্মুখীন হচ্ছে। তিনি বলেন, করোনার সময়ে দেশে ই-কমার্স সেবা বহুগুণ বেড়েছে। বহু মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। তবে বিচ্ছিন্ন কিছু ক্ষেত্রে ই-কমার্সের ভাবমূর্তি কলঙ্কিত হয়েছে।শমী কায়সার বলেন, ভোক্তাদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ বিভাগের তত্ত্বাবধানে শীঘ্রই একটি অভিযোগ ব্যবস্থাপনা সেল গঠন করা হবে।

আরো পড়ুন 

About admin

Check Also

সাধারণ সম্পাদক হওয়ার পর থেকে

সাধারণ সম্পাদক হওয়ার পর থেকে

সাধারণ সম্পাদক হওয়ার পর থেকে , আমার সঙ্গে অন্যায় আচরণ করা হয়েছে। অন্য একজনকে অবৈধভাবে …

Leave a Reply

Your email address will not be published.